1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আইনি জটিলতার ফাঁদে অর্থ উপদেষ্টা ও গভর্নর

আন্তর্জাতিক ডেক্স
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৩২ বার পঠিত

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আমেরিকার একটি আদালত। যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুৎ কোম্পানি স্মিথ কোজেনারেশনের একটি সালিশি মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ইউএস ডিস্ট্রিক্ট বিচারক কার্ল জে নিকোলস স্মিথ মার্কিন মার্শাল সার্ভিসকে ওই দুজন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। আমেরিকাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ল–৩৬০-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার ল–৩৬০ এর বরাতে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, বিদ্যুৎ কোম্পানিটি বাংলাদেশের কাছ থেকে ৩১ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলাটি করেছে। এদিকে গ্রেপ্তার এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সরকারি বাসভবনে আশ্রয় নিয়েছেন উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ ও গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। গত ২১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্ব ব্যাংকের বার্ষিক সভায় যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে যান অর্থ, বাণিজ্য এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ। ২৬ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত চলবে এই সভা। এ ছাড়াও অর্থ উপদেষ্টার নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র সফরকারী দলে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরসহ সাতজন উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা। এই ঘটনায় বাংলাদেশ মার্কিন আদালতে আপিল করেছে। আপিলে বলা হয়েছে, যে দুজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, তাঁরা উভয়েই উচ্চ পর্যায়ের বাংলাদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব ব্যাংকের কর্মকর্তা। তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফৌজদারি এবং দেওয়ানি মামলা থেকে দায়মুক্ত। আপিলে আরও বলা হয়, বিচারক নিকোলসের আদালতের রায় এখতিয়ার বহির্ভূত ও গ্রেপ্তারের প্রয়োগ অযোগ্য। এদিকে মামলায় উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশের অর্থায়নের ‘দুইজন সিনিয়র নেতা’ হিসাবে উল্লেখ করেছে। এছাড়াও মামলার নিষ্পত্তির জন্য তাঁদের জবানবন্দি প্রয়োজন আছে বলে জানায়। অন্যদিকে নিউইয়র্ক ভিত্তিক একটি আইনি গণমাধ্যম ল৩৬০ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের সঙ্গেও যোগাযোগ করলে তিনিও মন্তব্য করতে রাজি হননি। এছাড়াও গণমাধ্যমটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডিএম সালাউদ্দিন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (উত্তর আমেরিকা) খন্দকার মাসুদুল আলমের সঙ্গেও মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে। তারাও কেউ এ বিষয়ে মন্তব্যে করেননি। গণমাধ্যমটি তরফ থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা জানান, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। এদিকে আদালতে হাজির না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আদালতকে জানায়, উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও গভর্নর আহসান এইচ মনসুর আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বুধবার হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা হাজির হননি। উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দুজনেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব ব্যাংকের বার্ষিক বৈঠকে এই সপ্তাহে ওয়াশিংটনে গিয়েছেন। স্মিথ কোজেনারেশন পাওয়ার প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, এই সফরটি হতে পারে জবানবন্দি নেওয়ার একমাত্র সুযোগ। বিরোধের সূত্রপাত ১৯৯৭ সালে স্মিথ কোজেনারেশন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর করে। পরে বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে এই প্রকল্পটি বাতিল করে দেয়। পরে কোম্পানিটি সেই বছরই আইসিসি ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর