1. admin@timesnews24.live : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

সৌদিতে গিয়ে দালালের প্রতারণায় নিঃস্ব, থানায় অভিযোগ করে বিপাকে আলামিন

সোহেল রানা
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৮৬ বার পঠিত

কুমিল্লার চান্দিনায় আল-আমিন নামের এক যুবককে সৌদি-আরব নিয়ে গিয়ে প্রতারণা করেছে এক দালাল। সৌদি গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফিরে নিঃস্ব হয়ে এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে আল-আমিন নামে এক ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবী একাধিকবার সালিশি বৈঠকে ব্যর্থ হওয়ার পর দালাল কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে বিপাকে পরেছে তারা। এখন জীবন শষ্কায় মানবেতর জীবন যাপন করছে স্বপরিবার। ভুক্তভোগী চান্দিনা উপজেলার বড়গোবিন্দপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে আল-আমিন। এ ঘটনায় ভিসার টাকা ফেরতে চেয়ে বিচার প্রার্থনায় তার মা হালিমা বেগম একই গ্রামের আব্দুস ছামাদ মেম্বারের ছেলে কামাল দালালের বিরুদ্ধে চান্দিনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে জানা গেছে- গত বছরের জুলাই মাসে দালাল কামাল হোসেন সৌদি আরবে একটি কোম্পানিতে ভালো মানের কাজের ভিসা দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। পরে আকামা করা সহ ভিসার মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে মৌখিক চুক্তিবদ্ধ হয় কামাল। চুক্তিমতো টাকা নিয়ে তাকে (আল-আমিন) সৌদিতে পাঠানোর পর আজ করে দিচ্ছি তো কাল করে দিচ্ছি নানা বাহানায় কোন কাজ এবং কোন প্রকার আকামা করে দেয় নাই। দালাল কামালের এমন প্রতারণায় সৌদি আরবে অবৈধ হয়ে তিন মাসের মাথায় সৌদি পুলিশের হাতে ধরা খেয়ে জেল খেটে দেশে ফেরত আসেন আল-আমিন। সরেজমিনে ভুক্তভোগী আল-আমিনসহ তার পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি সাংবাদিকদের বলেন- সৌদি কোম্পানিতে ভালে কাজের ভিসা দেওয়ার কথা বলে প্রবাসে নিয়ে থাকা, খাওয়ার কোনো খরচ কিংবা কোন প্রকার কাজ না দিয়ে তাকে বন্দি করে রাখে।

তিন মাস অতিবাহিত হলে সৌদি পুলিশের অভিযানে অবৈধ ভাবে থাকায় আটকের পর তিন মাস জেল হাজতে রেখে দেশে পাঠিয়ে দেয়। আল-আমিন সৌদিতে জেলে থাকা অবস্থায় তাদের এ বিষয়টি নিয়ে কামালের সাথে সামাজিকভাবে বসা হয়। সে দেশে আশার পর উক্ত বিষয়ে এলাকাবাসীদের নিয়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠক বসিয়ে টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে তা মেনে নিলেও এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া ভিসার কোন টাকাই ফেরত দেয়নি দালাল কামাল হোসেন। সামাজিকভাবে সমাধানে ব্যর্থ হওয়ায় অসহায় হয়ে দালাল কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আল-আমিনের মা হালিমা বেগম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করলে অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ বাড়িতে গিয়ে তদন্ত করে যাওয়ার পর থেকে দালাল কামাল একের পর এক হুমিক-ধমকি এবং উল্টো মামাল দেওয়ার ভয় দেখানো শুরু করে। এমন অবস্থায় ভুক্তভোগী পরিবার জীবন শষ্কায় আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবন যাপন করছে। স্থানীয়রা আরও বলেন অনেক আগে থেকেই মানব পাচারের সাথে জরিত দালাল কামাল হোসেন। এর আগেও ভিসা দিয়ে বিদেশ পাঠানো অনেক যাত্রীদের বিষয় নিয়ে দালাল কামালারে বিরুদ্ধে গ্রামে একাধীকবার সামাজিক ভাবে সালিশি বৈঠক হয়েছে। সে প্রায় মানুষের সাথে এমন অনেক প্রতারণা করেছে বলেও জানা যায়। অবৈধ পথে মানব পাচার রোধে “প্রতিরোধ ও দমন” আইনে পাচারকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি সহ দালাল কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান ভুক্তভোগীসহ স্থানীয়রা। এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কামাল হোসেনের বাড়িতে গেলে উপস্থিতি টের পেয়ে আত্ননগোপনে চলে যান তিনি। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল দিলে রিসিভ করলেও সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে লাইন কেটে দেন কামাল হোসেন। অন্যদিকে এবিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা বলেন- অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর