কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির মাদকবিরোধী অভিযানে ১৫ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়। তবে অভিযানে জড়িত অপর এক সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৩০ মার্চ) রাতের দিকে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের আমড়াতলী বাজার থেকে কোটেশ্বরগামী সড়কে কয়েকজন ব্যক্তি একটি সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে—এমন গোপন সংবাদ পায় পুলিশ।
সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে ছত্রখিল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুইজন মাদক কারবারি সিএনজি রেখে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়, তবে অপরজন পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির নাম মো. ইকবাল হোসেন (৩৭)। তিনি কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার বড়জ্বালা (মুজার বাড়ি) এলাকার মো. মফিজ মিয়ার ছেলে। পালিয়ে যাওয়া অপর কারবারির নাম মো. স্বপন মিয়া (৩৫)। তিনি বুড়িচং থানার কোদালিয়া এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে বলে জানা গেছে।
আটক ইকবাল হোসেনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থিত লোকজনের সামনে সবুজ রঙের একটি পুরাতন সিএনজি অটোরিকশার সিটের পেছনে রাখা খাকি স্কচটেপ মোড়ানো একটি প্যাকেট থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক বহনে ব্যবহৃত সিএনজি গাড়িটিও জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ইকবাল হোসেন পুলিশকে জানান, তিনি ও তার পলাতক সহযোগী সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে কম দামে গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, এ ঘটনায় আটক আসামি ও পলাতক সহযোগীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। আটক ইকবাল হোসেনকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।