1. admin@timesnews24.live : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

কুষ্টিয়ায় ঈদের নামাজের স্থান পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৩; বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর

টাইমস প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৯ বার পঠিত

বৈরী আবহাওয়ায় ঈদের নামাজ মসজিদে হবে, নাকি ঈদগাহ মাঠে—এ নিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের চর এলঙ্গী আচার্য গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গড়াই নদীর চরে অবস্থিত চর এলঙ্গী আচার্য গ্রামে অন্তত ১২০টি পরিবারের পাঁচ শতাধিক মানুষের বসবাস। তাদের ইবাদতের জন্য রয়েছে একটি মসজিদ ও একটি ঈদগাহ মাঠ। শনিবার ঈদুল ফিতরের দিন সকাল থেকেই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। এ কারণে ঈদগাহ কমিটি সকাল সাড়ে ৮টার পরিবর্তে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৯টায় নির্ধারণ করে। এ নিয়ে গ্রামবাসী দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন।

একাংশ মন্টু প্রামাণিকের নেতৃত্বে চর এলঙ্গী আচার্য জামে মসজিদে ঈদের নামাজ শুরু করেন। পরে ঈদগাহ কমিটির পক্ষ থেকে আলম, গফুর ও শাকিলসহ কয়েকজন প্রতিপক্ষকে ঈদগাহে আসার আহ্বান জানান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়ে একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষের পর মন্টু প্রামাণিকের পক্ষের কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর দাবি, এ ঘটনার কারণে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এবার ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহত রুবেল হোসেন বলেন, সকালে বৃষ্টির মধ্যে একপক্ষ মসজিদে এবং আরেকপক্ষ ঈদগাহ মাঠে নামাজের পক্ষে অবস্থান নেয়। এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে মারামারি শুরু হয়। মারামারি ঠেকাতে গেলে জুয়েল, মন্টু ও মুসাসহ ১০-১২ জন বাঁশের লাঠি দিয়ে আমাকে আঘাত করে। আমাদের পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়ে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন। আমাদের পক্ষের লোকজন ঈদের নামাজও পড়তে পারেননি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আহত জুয়েল বলেন, বৃষ্টির কারণে মসজিদে ঈদের নামাজ শেষে খুতবার সময় আলম ও শহিদসহ কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলা করেন। এতে আমি, আমার বাবা ও চাচাতো ভাবিসহ কয়েকজন আহত হই। আমাদের পক্ষের কিছু বাড়িতেও ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।

বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আহত মন্টু প্রামাণিক ও জুয়েলসহ বেশ কয়েকজনের বাড়িতে ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা গেছে।

এ সময় জুয়েলের ভাবি রোকেয়া খাতুন বলেন, ঈদের নামাজ পড়া নিয়ে রাস্তায় মারামারি হয়েছিল। পরে ওরা আমার বাড়িতে এসে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।

রহমানের মা ছারা খাতুন বলেন, এরশেদ, আলম ও সাইফুল এসে আমার ছেলের অটোগাড়ি ও বাড়ি ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর