1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্ত থেকে উদ্ধার—বাঁচানো গেল না সাজিদকে

টাইমস প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৮০ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোরে নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদ আর বেঁচে নেই। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
‎
‎উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাসদাক জানান, রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে সাজিদকে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষায় দেখা যায়—শিশুটি হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা গেছে।
‎
‎এর কিছুক্ষণ আগে রাত ৯টার দিকে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে শিশুটিকে গর্ত থেকে উদ্ধার করা হয়।
‎
‎বুধবার দুপুরে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট গ্রামে গভীর নলকূপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে যায় সাজিদ। তার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির পাশের একটি জমি পার হওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। জমিটি খড় দিয়ে ঢাকা ছিল। সাজিদের মা জানতেন না খড়ের নিচে রয়েছে খোলা অবস্থায় রাখা বিপজ্জনক গর্ত। হাঁটার একপর্যায়ে হঠাৎ করে সাজিদ নিচে পড়ে যায়। পেছন থেকে ‘মা মা’ ডাক শুনে তিনি ফিরে দেখেন শিশুটি নেই। খড় সরাতেই বেরিয়ে আসে ওই মৃত্যুকূপ।
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, গত বছর এক ব্যক্তি সেখানে গভীর নলকূপ স্থাপনের চেষ্টা করেন। পানি না পাওয়ায় পাইপটি পরিত্যক্ত অবস্থায় মুখ খোলা রেখেই ছেড়ে দেওয়া হয়। পরের বছরের বৃষ্টিতে গর্তটি আরও প্রশস্ত হয়ে পড়ে। কোনো ঢাকনা বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না থাকায় ঘটে যায় এ দুর্ঘটনা।
‎
‎ঘটনার পর হাজারো মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। গর্তের পাশে সারারাত কাটান শিশুটির মা। প্রথমদিকে ভেতর থেকে কিছু শব্দ শোনা গেলেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বন্ধ হয়ে যায়, যা উদ্ধারকারীদেরও উদ্বিগ্ন করে তোলে। গর্তের ভেতরে অক্সিজেন সরবরাহ জারি রাখে ফায়ার সার্ভিস। মেডিকেল টিম ও প্রশাসনও ঘটনাস্থলে অবস্থান করে।
‎
‎এর আগে সন্ধ্যায় লে. কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছিলেন, শিশুটির জীবিত থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে যেকোনো অবস্থায় তাকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো হবে না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর