1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মে ভরপুর, স্বাস্থ্য সেবা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত রোগীরা

আত্রাই প্রতিনিধি (নওগাঁ)
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১২৫ বার পঠিত

নওগাঁর আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কতিপয় ডাক্তাররা ফিঙ্গার দিয়ে ডিউটিতে থেকেও বাহিরে চেম্বার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা যথাসময়ে হাসপাতালে যান না এবং যথাসময়ের পূর্বেই তাদেরকে হাসপাতাল ত্যাগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের কাজের ফাঁকে বাহিরে গিয়েও চেম্বার করার অভিযোগ রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা রোকসানা হ্যাপিও বাহিরে রোগী দেখেন। হাসপাতালে কোন ইমারজেন্সি রোগী আসলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন তিনি এখানে রোগী দেখেন না।

অন্যদিকে ডাঃ জাহিদুল ইসলাম এসেছেন মেডিকেল অফিসার হিসাবে। তিনি প.প কর্মকর্তার যোগসাজশে কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছে মত অফিসে আসে সপ্তাহে দু তিন দিন। মুঠোফোনে তাঁর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- আমার রাতে ডিউটি থাকে আর আল্ট্রাসনোগ্রাম করি। এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।

অপরদিকে হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ কে রেখে কতিপয় ডাক্তার তাদের মনোনীত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ পাঠান। অন্য ডায়াগনস্টিক থেকে রিপোর্ট করালে তারা রিপোর্ট দেখতে চান না বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মহতাব আলী নামে এক ব্যক্তি জানান, ডাক্তাররা ডায়াগনস্টিক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ায় তারা হাসপাতালের রুগীদের কে তাদের সেন্টার মুখী করতে এই প্রচেষ্টা। জরুরী বিভাগে চলে চরম সিন্ডিকেট। রোগী এলেই তাঁকে সে ভাবে না দেখেই পাঠানো হয় জেলা বা বিভাগীয় সদরে।

সাহিদা নামের এক রুগী বলেন, কথায় বলে পুলিশের বৌ নাকি দারোগা হয় ঠিক তেমনি হাসপাতালের নার্সরা ডাক্তারের চেয়েও লর্ড। একদিকে তাদের বাজে আচরণ, অপরদিকে কেনুলা, স্যালাইন সব তাদের রুম থেকে করে আসতে হয় নতুবা তাদের রক্তচক্ষু দেখতে হয়। কিছু বললে বাহিরে ক্লিনিকে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

‎মুনাক্কা নামের একজন বলেন, সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে বাম হাতে ও নাকে ক্ষত হয় আমার নাতনির। আত্রাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একটু দেখে কোন চিকিৎসা না দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে বলে। পরে ভবানীগঞ্জ ডা: বারী’র কাছে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসাতেই আমার নাতনি অনেকটা সুস্থ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা: রোকসানা হ্যাপির সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এগুলো অভিযোগের বিষয়ে আমার কোনো কিছু বলার নাই। আমি কিছু বলতেও চাই না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর