1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

হাতিয়ায় নদীভাঙ্গনে ৩ বছরে কাজ হয়েছে মাত্র ১৫ শতাংশ, প্রকল্পের পরিবর্তে টেকসই পদক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের

ফখরুল মোস্তফা (নোয়াখালী প্রতিনিধি)
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫
  • ২৯২ বার পঠিত

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় নদীভাঙন একটি জাতীয় দূর্যোগে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর মেঘনার প্রবল স্রোতে বিলীন হয় হাজারো ঘরবাড়ি ও জমি। প্রকল্প আছে, অর্থ বরাদ্দ আছে, কিন্তু নেই সময়মতো কাজ, নেই কোন টেকসই পদক্ষেপ। হাতিয়া আজ শুধু একটি দ্বীপ নয়। এটি হয়ে উঠেছে একটি ধ্বংসস্তূপের পথিক। এই জনপদের ঘরবাড়ি স্কুল কলেজ মসজিদ কবরস্থান সব হারিয়ে যাচ্ছে নদীতে। গত এক দশকে প্রায় ২০ হাজার পরিবার নদী ভাঙ্গার শিকার হয়েছে। বিগত কয়েকটি বছরে মেঘনা নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে অন্তত ৮ কিলোমিটার। তবুও ভাঙন রোধে কোন কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। কেবলমাত্র আশ্বাস আর কাগজের প্রকল্পের কাহিনী। স্থানীয়রা বলছেন- প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা বাজেট হয় নদী ভাঙন রোধে, কিন্তু বাস্তবে কাজ হয় সামান্যই। প্রকল্প আসে, টেন্ডার হয়, কিন্তু কাজ হয় নামের মাত্র। শেষ ১০ দশ বছরে প্রায় ১০ হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। কয়েক বছরের মধ্যে হাতিয়ার বোয়ালিয়া, রামনগর, জাহাজমারা ও চরকিং ইউনিয়নের চারটি গ্রাম নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ধসে গেছে।  ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৪ টি মসজিদ ও কয়েকটি কবরস্থান নদীর গর্ভে হারিয়েছে। ২০২২ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় হাতিয়ার উপকূলীয় বেডিবাঁধ  পুনর্গঠন প্রকল্পের নামে একটি ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদিত হয়। কিন্তু ৩ বছরে কাজ হয়েছে মাত্র ১৫ থেকে শতাংশ। বাকি বরাদ্দ পড়ে আছে। চানন্দী ইউনিয়নের বৃদ্ধ মহিলা সকিনা খাতুন বলেন- যারা কাজের টাকা খায়, তাদেরকে নদী ভাঙলে বুঝতো, কষ্ট কাহাকে বলে! সরকার শুধু দেখে, কোনো কিছু করে না। আমার ঘরবাড়ি নিয়ে গেছে, মা বাবার কবর নিয়ে গেছে, ছেলের স্কুল নিয়ে গেছে। সরকার শুধু দেখে। কোন কিছু করে না। এই প্রতীক্ষার শেষ কোথায়? যখন পুরো হাতিয়া একদিন নদীতে বিল হয়ে যাবে, তখন কি হবে এই প্রকল্পের?

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর