কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ভুয়া র্যাবের অফিসার পরিচয়ে ভয়ভীতি, হুমকি ধমকি প্রদর্শন ও মারধরের অভিযোগ করেছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য জয়নাল আবেদীন। ঘটনাটি ঘটেছে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর মধ্যমপাড়া কাজী বাড়ীতে। জয়নাল আবেদীন বলেন, মোঃ মাসুদ (২৩) একই ইউনিয়নের বসন্তপুর হাড়ীমুড়া গ্রামের মোশারফ হোসেন প্রকাশ মেনু মিয়ার ছেলে। সে প্রতারক, সন্ত্রাসী, খারাপ প্রকৃতির এবং অবৈদ মাদক সরবরাহের সাথে সম্পৃক্ত। মোঃ মাসুদ ও তার সহযোগিরা কয়েকজন বিগত কয়েকবছর যাবৎ নিজেকে র্যাব ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, কখানো প্যারা-কমান্ডো আবার ক্ষেত্র বিশেষে নিজেকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্ত করে চাপ সৃষ্টি পূর্বক নানাভাবে হয়রানী ও ক্ষতি করে আসছে। সে নিজেকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা বা প্যারা-কমান্ডো বলে পরিচয় দেওয়ায় লোকজন ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। যদি কেউ প্রতিবাদ করে তাহলে তাকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি সহ নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এমন কর্মকান্ডের বিষয়ে প্রতিবাদ করায় জয়নাল আবেদীনকে মেরে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ মাচ বিকাল অনুমান ৩টার সময় মোঃ মাসুদ ও তার সহযোগীরা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে, হাতে লাঠি, লোহার রড, ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধ হয়ে জয়নাল আবেদীনের বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। এসময় তাকে নিষেধ করলে সে জয়নাল আবেদীনকে কিল, ঘুসি ও লাথি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্বক জখম করে এবং হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরলে আশেপাশের লোকজনের সহযোগিতায় জয়নাল আবেদীন প্রাণে রক্ষা পায়। পরে মোঃ মাসুদ উপস্থিত লোকজনের সামনে সুযোগমতো পাইলে জয়নাল আবেদীনকে মেরে লাশ গুম করে ফেলার হুমকিসহ নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। মোঃ মাসুদ ও তার সহযোগীরা যেকোন মুহুর্তে জয়নাল আবেদীন ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রানহাণী সহ চরম ক্ষতি হওয়ার আশংকা রহিয়াছে মর্মে পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগে উল্লেখ করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে মোঃ মাসুদকে ফোন দেওয়া হলে তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। সে অজ্ঞাতস্থানে থাকায় সরাসরি বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি