কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলাটি ৪৩ কিলোমিটার জুড়ে ভারতীয় সীমান্তের নিকটবর্তী হওয়ায় মাদক পাচারের সুবিধা সবচেয়ে বেশি এ সকল এলাকায়। চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে গত তিন মাসে ৬৬৪ কেজি গাঁজা ৪,১১৯ পিস ইয়াবা, ১,৬৮২ বোতল ফেন্সিডিল, ৫৯ বোতল বিদেশী মদ ও ২২ বোতল বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে। এপ্রিল, মে, জুন (২৯) মাসের মধ্যে মে মাসে সবচেয়ে বেশি মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়েছে। মাদকের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫৭ মামলায় ৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর সীমান্তবর্তী ও মহাসড়ক এলাকায় পর্যাপ্ত সোর্স না থাকায় কম হচ্ছে মাদক বিরোধী অভিযান। বিপর্যস্ত পুলিশ ধীরে ধীরে স্বরূপে ফিরতে শুরু করেছে। জনবল ও মনোবল সংকট থাকা সত্ত্বেও মাদক বিরোধী অভিযান ধীরে ধীরে বাড়ছে। বেশিরভাগ মাদক কারবারিরা রাতে চোরাচালান করে। সারাদেশের ন্যায় রয়েছে কিশোর গ্যাং এর উৎপাত। সরকার পতনের পর থেকে জায়গা জমি সংক্রান্ত হামলা মামলা বেড়ে গেছে অনেকগুন। মামলা কমাতে প্রতিদিনই বসে কয়েকটি অভিযোগ নিষ্পত্তির বৈঠক। সব দিকে সামাল দিয়ে নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে থানা পুলিশ। এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে মাদক বিরোধী অভিযান অভ্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকা ও মহাসড়কের ৪৩ কিলোমিটার রাতে কয়েকটি ভাগে পুলিশের টহল থাকে। মহাসড়কে দুর্ঘটনা, ডাকাতি, ছিনতাই রোধে নির্বিঘ্নে প্রতিটি যাত্রীর নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিতে কাজ করছে পুলিশ। মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।