কুমিল্লার চান্দিনায় থানা পুলিশের সহায়তায় বৈশাখী মেলায় জুয়া খেলার আসর ভাংচুর করেছে ছাত্র প্রতিনিধিরা। এ সময় মেলায় জুয়ার আসর বসানো আয়োজকরা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে পারেনি তারা। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই বাজার এলাকায় বৈশাখী মেলায় জুয়ার আসর বসানোর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেল ছাত্র প্রতিনিধি ও চান্দিনা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আবুল কাশেম অভির নেতৃতে থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ওই জুয়ার আসর বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন চান্দিনা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পৌর আহ্বায়ক রাব্বি, যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল, যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সিকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক ও নির্বাহী সদস্য আলাউদ্দিন গাজীসহ ইউনিয়ন পর্যায়ের আরও অন্যান্য ছাত্র প্রতিনিধি সদস্যরা। 
চান্দিনা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন আহ্বায়ক আবুল কাশেম অভি জানান- আমাদের কাছে খবর আসে ওই এলাকায় বৈশাখী মেলার নামে প্রকাশ্যে জুয়ার আসর বসিয়ে চলছে জুয়া খেলা। পরে আমাদের ছাত্র প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে চান্দিনা থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) ইমাম হোসেন এর নেতৃতে পুলিশের একটি টিমের উপস্থিতিতে ওই জুয়ার আসর ভেঙে ঘরগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন- মেলা নিয়ে আমাদের কোন সমস্যা নেই। তবে চান্দিনায় কিছু সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ ও কুচক্রী মহল মেলায় জুয়ার আসর বসানো আয়োজক ও চাঁদাবাজদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন। চান্দিনায় মেলার নামে কোনো জুয়া ও চাঁদাবাজি চলবে না। এর আগে নববর্ষ উপলক্ষে কোন মেলাতে জুয়া ও চাঁদাবাজি চলবে না ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এর পরেও যদি কেউ মেলায় জুয়ার আসর বসায় পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
এ বিষয়ে চান্দিনা থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) ইমাম হোসেন বলেন, আমরা ছাত্র প্রতিনিধিদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসর ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা। মেলা পরিচালনা পর্ষদ কমিটিকে বলে দেওয়া হয়েছে, যাতে করে মেলায় কোন প্রকার জুয়ার আসর না বসানো হয়। পরবর্তীতে জুয়ার আসর বসালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।