জয়পুরহাটের কালাইয়ে প্রাইভেট কার ও চার্জার ভ্যানের সংঘর্ষে দু’জন ব্যক্তি নিহতের ঘটনায় ১২ লাখে দফারফার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুর সাড়ে ৩টায় বাঁশের ব্রীজ এলাকায় প্রাইভেট কার ও চার্জার ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং দুইজন আহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর রাতেই তা দফাদফার ঘটনা ঘটে। যদিও দুর্ঘটনার সময় ভ্যান চালকসহ দু’জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার সময় স্থানীয়রা প্রাইভেট কারের ড্রাইভারকে আটক করলে পুলিশ ড্রাইভারকে থানা পুলিশের হেফাজতে নেয়। এসময় ড্রাইভারকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সাথে পুলিশের হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে এখনও পুলিশ হেফাজতে রয়েছে প্রাইভেট কার ও ড্রাইভার চয়ন তালুকদার। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা মৃত আব্দুস সাত্তার তালুকদারের ছেলে। নিহতরা হলেন- উপজেলার ভূগোইল গ্রামের মৃত শাহমুদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ ইদ্রিস ও একই গ্রামের মৃত লোকমান আলী মন্ডলের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন মন্ডল। আর আহত হলেন একই গ্রামের মৃত সোলায়মান আকন্দের ছেলে ভ্যান ড্রাইভার নুরুল ইসলাম আকন্দ ও একই উপজেলার বুড়োইল গ্রামের মৃত ভিনসের ফকিরের ছেলে আশরাফ আলী ফকির বলে জানা গেছে।
এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজনের মধ্যস্থতায় ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে সমঝোতা হয় বলে জানিয়েছেন নিহত-আহত পরিবার ও স্বজনরা। এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইফতেখার রহমান, কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এস এম কামাল হোসাইনসহ স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। অন্যদিকে নিহত ব্যক্তির মৃত্যুর সনদ নিতে লাশ নিয়ে হাসপাতালে আসেন পরিবার। কিন্তু একটি লাশ হাসপাতালে আসলেও কর্তব্যরত ডাঃ আশিফুর রহমান সনদ দেন দুই লাশের। এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বলেন, এঘটনায় কোন সমঝোতা হয়েছে কি-না জানা নেই। আর মামলা হয়েছে কি না জানতে চাইলে হয়নি বলে জানান তিনি।