1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

হাতিয়ায় ছয় হত্যার পর ফের বিতর্ক, ভয়ভীতি দেখিয়ে এজাহার পরিবর্তনের অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

টাইমস প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১০৭ বার পঠিত

নোয়াখালীর হাতিয়ায় চর দখলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে ছয়জন নিহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলা ঘিরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মামলার বাদীরা অভিযোগ করেছেন, হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম তাদের থানায় আটকে রেখে হত্যার হুমকি দিয়ে প্রকৃত আসামিদের বাদ দিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

গত ২৩ ডিসেম্বর হাতিয়া উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের জাগলার চরে চরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আলাউদ্দিন বাহিনী, কোপা শামছু বাহিনী ও ফরিদ কমান্ডার বাহিনীর মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে গোলাগুলি শুরু হলে ঘটনাস্থলেই ছয়জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে আলাউদ্দিন বাহিনীর প্রধান আলাউদ্দিন, কোপা শামছু বাহিনীর প্রধান কোপা শামছু, তার ছেলে মোবারক হোসেন শিহাবসহ অন্যান্যরা রয়েছেন।

এ ঘটনায় পৃথকভাবে দুটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ২৫ ডিসেম্বর নিহত কোপা শামছুর ভাই আবুল বাসার ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। পরদিন ২৬ ডিসেম্বর নিহত আলাউদ্দিনের বাবা মহি উদ্দিন ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৪০–৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আরেকটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার বাদীদের অভিযোগ, এজাহার দায়েরের সময় তাদের দেওয়া তালিকা পরিবর্তন করে থানার পক্ষ থেকে নতুন করে আসামির নাম সংযোজন করা হয়। নিহত আলাউদ্দিনের বাবা মহি উদ্দিন বলেন, মামলা দায়ের করতে থানায় গেলে তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় এবং পূর্বপ্রস্তুত এজাহারে সই করতে চাপ দেওয়া হয়। সই করতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।

অপর মামলার বাদী আবুল বাসার বলেন, “আমি যাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়েছি, তাদের নাম বাদ দিয়ে নতুন এজাহার তৈরি করে জোর করে সই নেওয়া হয়েছে। বর্তমান এজাহারের অনেক আসামিকেই আমি চিনি না। আমরা প্রকৃত খুনিদের বিচার চাই, নিরপরাধদের হয়রানি নয়।”

অভিযোগের বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। তিনি দাবি করেন, বাদীরা স্বেচ্ছায় এবং নিজের ইচ্ছাতেই এজাহার দায়ের করেছেন। থানায় কাউকে আটক বা চাপ প্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

এ বিষয়ে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন এবং জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগসহ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর