1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

মেঘনায় গ্রেপ্তারের দুই ঘণ্টার মাথায় মুক্তি: অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক

টাইমস প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৫৫ বার পঠিত

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে থানার এক উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত এসআইয়ের নাম মশিউর রহমান। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মেঘনা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন মেম্বার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে গোবিন্দপুর এলাকা থেকে জালাল উদ্দিনকে আটক করেন এসআই মশিউর রহমান। আটকের পর তাকে থানায় না নিয়ে ভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। গ্রেপ্তারের প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যেই দুই লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় দুপুরের দিকে জালাল উদ্দিনের ভাই নূরে আলম এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের সঙ্গে এসআই মশিউরের একটি সমঝোতা বৈঠক হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। ওই বৈঠকেই অর্থের বিনিময়ে জালালকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় বলে অভিযোগ উঠে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই মশিউর রহমান টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “টাকা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। জালাল উদ্দিন একজন ইউপি মেম্বার। তিনি এত টাকা কোথা থেকে দেবেন! ধরতে গেলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান।”

এ বিষয়ে জালাল উদ্দিন বলেন, “এসআই মশিউর আমাকে ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে আমার ভাই নূরে আলম ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। কথাবার্তার পর আমাকে চলে যেতে বলেন। কী কথা হয়েছে, তা আমি জানি না।”

এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলামকে কল দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ পাঠালেও তিনি কোন উওর দেননি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর