কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার চন্দ্রশেখরদী গ্রামে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় নির্মাণাধীন একটি স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের চন্দ্রশেখরদী গ্রামের হাজী আলী আহমেদের বাড়িতে তার ছেলে এ কে এম জুলফিকার আলী একটি স্থাপনা নির্মাণকাজ চালিয়ে আসছিলেন।
আজ বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টায় একদল স্থানীয় ও বহিরাগত ব্যক্তি শহীদ, আকবর, শাহাদাত ও বাদলের নেতৃত্বে বাড়িতে গিয়ে জুলফিকার আলী ও তার স্ত্রী ডাক্তার তাহমিনা জাহাঙ্গীরের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা বাড়িতে হামলা চালায় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
এ সময় তাদের আত্মীয়-স্বজনের কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত রড, সিমেন্ট ও ইট নিয়ে যাওয়া হয় এবং নির্মাণাধীন স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।
ভুক্তভোগী এ কে এম জুলফিকার আলী জানান, ঘটনার পর বুধবার সকালে দাউদকান্দি মডেল থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন, “ভুক্তভোগীর কাছ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ দিকে ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।