কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ স্কুল কলেজের সামনে বখাটেদের উৎপাতের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী। শুক্রবার সকাল ১০টায় মহাসড়কের বারপাড়া স্টেশনে বারপাড়া ইউনিয়ন যুবসমাজের উদ্যোগে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারী কাউসার আলম, মনির হোসেন, আব্দুল আলিম, আনিসুর রহমান খান, সোহাগ আহাম্মেদ বলেন, নির্দিষ্ট একটা গোষ্ঠীর মাদক বিক্রি, ছিনতাই, স্কুল কলেজের সামনে উৎপাত ও ইভটিজিংয়ে এলাকাবাসী অতিষ্ট। 
৫ আগস্ট আমাদের এলাকার সন্তান শহীদ রিফাত একটি সুন্দর বাংলাদেশের জন্য জীবন দিয়েছে। কোন মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী, ডাকাত ও চাঁদাবাজের জন্য জীবন দেয়নি। ৫ আগস্ট এর পর একদল চিহ্নত মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাই, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে। এই এলাকায় ছিনতাই ডাকাতির ঘটনা এখন নিয়মিত হয়ে উঠেছে। বারপাড়া মহিলা কলেজ, বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে মাদকসেবী ও বখাটেদের উৎপাত বাড়ছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে যৌথবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি আমরা। বারপাড়া মহিলা কলেজের সামনে থেকে বের হওয়া মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে কানরা গিয়ে শেষ হয়।
গত ২ ফেব্রুয়ারি মহাসড়ক অবরোধের ছবি
উল্লেখ যে, গত ২ ফেব্রুয়ারিতে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সড়কে ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন হালকা মোটরযান চালক ও মালিকরা। এতে ওইদিন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। হাইওয়ে পুলিশের অনুরোধে বেলা ১১:১৫ মিনিটে অবরোধ তুলে নিলেও পূণরায় মানববন্ধনে দাড়ায় চালক ও মালিকরা। পরে ২য় দফায় তাদেরকে সড়ক থেকে সরিয়ে নিয়ে আলোচনায় বসেন দাউদকান্দি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ফয়সাল তানভীর। মহাসড়ক নিরাপদ রাখতে চালকদের দাবি দাবাগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানোর আশ্বাস দিলে সড়ক ছাড়ে আন্দোলনকারিরা।
দাউদকান্দিতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও থানা পুলিশের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ৫ আগষ্টের পর থেকে অনেকবারই দেশের ১ম সারির জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি ৩০ জানুয়ারি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরীর বিরুদ্ধে দেশের ১ম সারির একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সরাসরি অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জেরে নিউজ প্রকাশিত হয়েছিলো। এ ঘটনায় এখনো কোন ধরণের পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ