1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

চোরাই গরু সন্দেহে জব্দ ৩১ গরু নদীতে রেখে একের পর এক মৃত্যু, পুলিশের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন

টাইমস প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৫ বার পঠিত

চোরাই গরু সন্দেহে জব্দ করা ৩১টি গরুকে থানায় রাখলে চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—এমন যুক্তিতে সেগুলো থানায় না রেখে সুরমা নদীতে ভাসমান অবস্থায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে পুলিশের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তীব্র শীত, পর্যাপ্ত খাবারের সংকট ও চরম অবহেলার কারণে একের পর এক গরুর মৃত্যু ঘটছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৭ ডিসেম্বর সুরমা নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি নৌকাসহ ৩১টি গরু জব্দ করা হয়। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গরুগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পুলিশের ওপর থাকলেও সেগুলো থানায় বা কোনো নিরাপদ স্থানে না রেখে নদীতেই রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করেছেন, শীতের মধ্যে দীর্ঘ সময় পানির ওপর ভাসমান অবস্থায় থাকার কারণে অন্তত ছয়টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের ভাষ্য আরও ভিন্ন। তাদের দাবি, মৃত গরুর সংখ্যা নয় বা দশটির কম নয়। অভিযোগ রয়েছে, রাতের আঁধারে মৃত গরুগুলো নদীতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি গরুগুলোর প্রকৃত অবস্থা দেখতে গেলেও স্থানীয়দের বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গরুগুলোর দেখভালের জন্য একজন স্থানীয় যুবককে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও স্থানীয়দের অভিযোগ, তার বকেয়া পারিশ্রমিক পাঁচ হাজার টাকার বেশি। আর্থিক সংকটের কারণে তিনি নিজ খরচে গরুর খাবার কিনছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। খাবারের পরিমাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, ৩১টি গরুর জন্য মাত্র ১০ কেজি ভুসি দিয়ে কয়েকদিন চালানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অপ্রতুল।

এ বিষয়ে ওসি রতন শেখ বলেন, আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত গরুগুলো নদীতেই রাখা হবে। গরু মারা গেলে করার কিছু নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) রাকিবুল হাসান রাসেল বলেন, গরু থানায় রাখলে চুরি হয়ে যাবে—এ ধরনের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। গরুগুলোর মৃত্যু রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর