কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূ। জায়গাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটায় বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দৌলখাঁড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে। ঘটনার দিন তার বাড়িতে অসুস্থ শাশুড়ি এবং দুই বছরের শিশুকন্যা ছাড়া কেউ ছিলনা বলে যানা যায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূকে ধর্ষণের পর তার ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় ধর্ষণকারীরা। গৃহবধুকে ধর্ষণের এ ঘটনায় মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নাঙ্গলকোট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ, কে ফজলুল হক। তিনি আরো জানান, অভিযুক্ত ইমাম হোসেনকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ভুক্তভোগী নারীকে মেডিকেল পরিক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত ইমাম হোসেন ছাড়াও জাহিদুল্লাহ ও অজ্ঞাত আরো ১জনকে আসামি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ মামলায় উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত ইমাম হোসেনের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এর আগেও অভিযুক্ত ইমাম হোসেন ওই গৃহবধূকে ধর্ষণের হুমকি দেয়। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ইমাম হোসেনসহ আরো দুইজন বাড়ির দরজা ভেঙে ঐ গৃহবধুর ঘরে প্রবেশ করে। পরে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর চুল কেটে ফেলে ধর্ষণকারীরা এবং ঘর থেকে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-আমিন সরকার জানান, ঘটনাটির বিষয়ে আমি অবগত আছি। প্রাথমিক তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ শেষে এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওসির সাথে ঘটনাটি নিয়ে কথা হয়েছে। পুলিশ মামলাটি গুরুত্বের সাথে দেখছে।