1. admin@timesnews24.live : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

কমিউনিটি বেইজড ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে স্বাবলম্বী জয়পুরহাটের দুদু মিয়া দম্পতি

স্টাফ রিপোর্টার (জয়পুরহাট)
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১০ বার পঠিত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের আমানীপাড়া গ্রামের কৃষক মো. দুদু মিয়া ও তাঁর স্ত্রী মোছা. জড়িনা বেগম এখন এলাকার অনুকরণীয় দম্পতি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় “অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্প”-এর সহায়তায় তারা কমিউনিটি বেইজড পদ্ধতিতে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন করে হয়েছেন স্বাবলম্বী।
‎
‎এই উদ্যোগ বদলে দিয়েছে তাদের জীবন, জমির মাটি ও গ্রামের কৃষি চর্চাকে করেছে পরিবেশবান্ধব।
‎
‎দুদু মিয়া জানান, আগে জমিতে রাসায়নিক সার ব্যবহার করায় খরচ ছিল বেশি, ফলনও আশানুরূপ আসত না। কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ নিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন শুরু করার পর এখন নিজের তৈরি সার ব্যবহার করছেন। এতে ফলন বেড়েছে, খরচ কমেছে, আর বাজারে বিক্রি করেও ভালো আয় হচ্ছে।
‎
‎জড়িনা বেগম বলেন, “প্রথমে ভয় লাগত—কেঁচো দিয়ে সার তৈরি করা কঠিন হবে। কিন্তু কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে শুরু করি। এখন বাড়ির পাশে তিনটি বেডে নিয়মিত সার তৈরি করি। এতে বাড়ির জৈব বর্জ্য কাজে লাগছে, প্রতিবেশীরাও কিনে নিচ্ছেন।”
‎
‎উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহিদুর রহমান বলেন, “কমিউনিটি বেইজড ভার্মি কম্পোস্ট প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর ও টেকসই। দুদু মিয়া ও জড়িনা বেগম এর সফল উদাহরণ। তাদের দেখে এলাকার কৃষকেরা অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। এতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমছে, মাটির উর্বরতা বাড়ছে এবং উৎপাদন খরচও কমছে।”
‎
‎তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য পুরো উপজেলায় জৈব সার ব্যবহারের প্রচলন বাড়ানো, পরিবেশবান্ধব কৃষি সম্প্রসারণ ও মাটির সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”
‎
‎এখন দুদু মিয়া দম্পতির সাফল্যের গল্প ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের গ্রামগুলোতে। অনেক কৃষক তাদের কাছ থেকে শিখছেন কীভাবে কম খরচে এই পদ্ধতিতে সফল হওয়া যায়।
‎
‎পরিবেশবান্ধব কৃষি ও বাড়তি আয়ের এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলেছেন এই দম্পতি। তাদের মতো আরও অনেক কৃষক এগিয়ে এলে ক্ষেতলাল উপজেলাই হতে পারে টেকসই কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের এক মডেল উপজেলা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর