জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা সদরে টেন্ডার ছাড়াই অতিরিক্ত জ গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদের অভ্যান্তরে ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া ও ঝুকিপূণ ১২টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিক্রয় হবে বলে কদিন আগে খোলা ডাকের আহব্বান করা হয়। এসয় উজ্জল নামের এক ব্যবসায়ী সর্বোচ্চ নিলাম (১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা) ডাকে তিনি গাছগুলো পেয়ে যান। পরিপত্র অনুযায়ী বকাইন ১টি, মেহগনী ২টি, জাম ১টি, রেইন্ট্রি ৩টি, অজুন ২টি, আম ১টি, শিশু ১টি, ইউক্যালিপ্টাস ১টি গাছ কাটার কথা থাকলেও মেহগনী ২টির জায়গার ৫টি, জাম ১টির জায়গায় ২টি এবং ১টি কাঠাল গাছ কাটার কথা না থাকলেও তা কেটে নেন ব্যবসায়ী উজ্জল। 
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া, ঝুকিপূণ ১২টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ বিক্রয় হবে বলে খোলা ডাকের আহব্বান করা হয়। এখানে পরিপত্রে যে গাছ কাটার কথা আছে, তা না করে অর্থের লোভে পড়ে অতিরিক্ত গাছ কেটে নেন। এতে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। তারা বলেন , প্রশাসনের চোখের সামনে এমন গাছ কিভাবে কাটা হয়, তারা কি ঘুমিয়ে থাকে? ঝড়ে পড়া গাছ কাটার নামে ভালো গাছ কেটেছে, এর বিচার হওয়া দরকার। এক একটা গাছ প্রায় শতবর্ষী ছিল। উপজেলা পরিষদকে শীতল রাখতো এই গাছগুলোই। 
এ বিষয়ে ব্যবসায়ী উজ্জল এর কাছ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি উচ্চ মুল্যে গাছগুলো নিয়েছি। আমার লস হচ্ছে, বিধায় গাছগুলো কেটেছি। গাছ কাটার ঘটনা সত্য, তবে আমি এই গাছ কেটে লস পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।
এদিকে উপজেলা সামাজিক বনায়ন কর্মকর্তা মতিয়র রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঝড়ে পড়া গাছ টেন্ডারের জন্য দাম নির্ধারণ করতে বলায় আমরা শুধু দাম নির্ধারণ করেছি। কোন ভালো গাছের দাম নির্ধারন করা হয়নি। যদি অতিরিক্ত গাছ কেটে থাকে তাহলে তারা অন্যায় করেছে। 
এ বিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের কাছে জানতে চাইলে তিনি টাইমস নিউজকে বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, যদি এ ধরণের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেবো, এবং এটার জন্য যদি তদন্ত কমিটি করার প্রয়োজন হয়, লিখিতাবে অভিযোগ পাইনি, তবুও যেহেতু মিডিয়ার মাধ্যমে শুনেছি, এটা বসে তদন্ত কমিটি করে দেবো, তারপর তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।