1. admin@timesnews24.live : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

নিয়ামতপুরে দুর্নীতি আর অনিয়মের শীর্ষে সাব রেজিস্ট্রি অফিস, নেপথ্যে সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক

নওগাঁ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫
  • ২০৭ বার পঠিত

নওগাঁর নিয়ামতপুরে সাব রেজিস্টার অফিসে দুর্নীতি আর অনিয়ম যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। আর এর নেপথ্যে রয়েছে দলিল লেখক সমিতির মুল হুতা সভাপতি মোঃ মোজাফফর হোসেন মোল্লা  ও সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন্দ্রনাথ দাস। দলিল লেখক সমিতির বেশ কিছু সাধারণ সদস্য অভিযোগ করেন, সমিতির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন তারা।

‎ভুক্তভোগী কাজী সামছুল আলম বলেন, ক্ষমতার পালা বদলের সাথে সাথে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ক্ষমতার দাপটে সমিতির সদস্যরা ও সাধারণ জনগন কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন তাদের কাছে।

আর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের নাইট গার্ড শাহ জামাল বুধু বলেন- বিকাল ৪টার পরে দলিল রেজিস্ট্রির জন্য পার দলিলে ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। কারণ জানতে চাইলে নাইট গার্ড বুধু বলেন, স্যার চলে যাবেন চারটার পর, যারা দলিল করবেন তাদের পার দলিলে ১০০০ টাকা করে দিতে হবে। তিনি আরো বলেন, এটাই নাকি তাদের নিত্য দিনের কাজ।

ভুক্তভোগী বলেন, ৩৫০০/৪০০০ টাকা সরকারি খরচ কিন্তু সে সব দলিলে ও স্টাম্পে লেখনি সরকারি ট্রাজারী বাদ দিয়ে ১১ হাজার টাকা শুধু মুহুরী সমিতিতে দিতে হয়। জমি রেজিস্ট্রি করতে দলিল লেখক সর্বনিম্ন ২০,০০০ থেকে সর্বোচ্চ  ৫০,০০০ টাকার বেশি নিয়ে থাকেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎জানা গেছে, কয়েক মাস আগেও নিয়ামতপুর দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে একাধিক চলমান সংবাদ প্রকাশ হলেও প্রসাশন কোন পদক্ষেপ না নেওয়াই তারা আরো নানা অপকর্ম শুরু করেছে, এতে সাধারণ জনগন আরো জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যে অনেক সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা একাধিক গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন এই দুর্নীতিবাজ লেখক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

বেশ কিছু সেবা গ্রহীতারা জানান, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিনা  অনুমতি ছাড়া দলিলের ফি কোন দলিল লেখক কম নিতে পারবে না। প্রতিটি গ্রাহক তাদের সিন্ডিকেটের কাছে টাকা জমা দিলে তখন দলিল লেখকরা দলিল করতে পারবে।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় এই দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এককভাবে নির্বাচিত হন। এরপর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পেয়ে নানা অনিয়ম দুর্নীতির জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, এই দলিল লেখক সমিতিতে পিয়ন থেকে শুরু করে সকলকে সালামি দিয়ে খুশি রাখতে হয়। সালামি না দিলে তাদের দলিল আটকে রেখে চাপের মুখে ফেলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখন কথা বলার সময় নেই, আপনাদের কোন কিছু বলতে বাধ্য নয়। তবে আমাদের দলিল লেখক সমিতিতে কোন অনিয়ম ও দুনীতি হয় না। আর এর বেশি কিছু বলতে পারব না আপনারা এখন যেতে পারেন।

‎আর অভিযোগের বিষয়ে জানতে নিয়ামতপুর সাব রেজিস্টারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে কোন লিখিত অভিযোগ আসে নাই, তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে আমি জেলা রেজিস্ট্রারের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেব।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর