1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

হাতিয়া দ্বীপে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে তৃণমূলে সাড়া ফেলেছেন প্রকৌশলী তানভীর

ফখরুল মোস্তফা (নোয়াখালী প্রতিনিধি)
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৪২ বার পঠিত

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা, নদীভাঙন আর বঞ্চনার শিকার। এখানে ভোট এলে নেতাদের পদচারণা দেখা যায়, কিন্তু বছরজুড়ে সাধারণ মানুষ পড়ে থাকেন অবহেলায়। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই রাজনৈতিক মাঠে নতুন সাড়া ফেলেছেন নোয়াখালী- ৬ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পদপ্রার্থী ও হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিব। 
‎
‎“প্রতিশ্রুতি নয়, পরিবর্তনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ”—এই শ্লোগানকে সামনে রেখে প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিব ইতিমধ্যে হাতিয়ার রাজনীতিতে আলাদা বার্তা ছড়াতে শুরু করেছেন। প্রতিশ্রুতির বর্ণিল বুলি নয়, বরং দৃশ্যমান পরিবর্তনের ডাক দিয়ে তিনি গ্রামের পথে পথে ঘুরছেন, মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনছেন, সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন।
‎
‎তিনি শুধু শহরকেন্দ্রিক রাজনীতি করছেন না; বরং প্রত্যন্ত গ্রাম, নদীভাঙন কবলিত চরে, জেলেপাড়ায় এবং কৃষকের খেতখামারে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন। এই প্রত্যক্ষ যোগাযোগই রাজিবকে দিন দিন তৃণমূলের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলছে।
‎
‎সম্প্রতি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে হাতিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাজিব। শুধু শুভেচ্ছা বিনিময় নয়, তাদের সামাজিক সমস্যার কথা শোনেন, আশ্বাস দেন পাশে থাকার। তার এই মানবিক পদক্ষেপ রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে আলোড়ন তুলেছে।
‎
‎রাজিবকে নিয়ে এখন হাতিয়ার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে গ্রামীণ হাট-বাজার, তরুণদের আড্ডা—সব জায়গায় আলোচনা। তিনি একজন প্রকৌশলী হয়েও জনগণের নেতা হিসেবে যেভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করছেন, তা অনেকের কাছে হাতিয়ার রাজনীতিতে “নতুন সমীকরণ” তৈরি করছে।
‎
‎কৃষক সোলেমান মাঝি বলেন, “আমরা নেতাদের দেখি শুধু নির্বাচনের সময়। কিন্তু রাজিব ভাই মাঠে ছিলেন। শামীম ভাই ও কেন্দ্রীয় নেতা। আমাদের কথা হলো বিএনপি যাকে মনোনয়ন দিবেন আমরা তার ভোট করবো। 
‎
‎রুহুল আমিন নামে এক জেলের ভাষায়, “নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাসে আমরা বারবার নিঃস্ব হই। নেতারা প্রতিশ্রুতি দেন লড়বেন আমাদের অধিকার নিয়ে কিন্তু তাদেরকে আর পাওয়া যায় না। ভোট আসলেই নেতাদের দেখা যায়। 
‎
‎পূজা মণ্ডপের আয়োজক বিমল দত্ত বলেন, রাজনীতি ধর্মের ভেদাভেদ নয়—রাজিব ভাই ও শামীম ভাই আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেটা প্রমাণ করেছেন। এতে আমরা অভিভূত। 
‎
‎তরুণ ছাত্র সোহাগ জানায়, “রাজিব ভাইকে আমরা নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি মনে করি। তিনি সব সময় সাধারণ মানুষদেরকে নিয়ে চিন্তা করেন এটা আমাদের কাছে বড় অনুপ্রেরণা।”
‎
‎রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাতিয়ার রাজনীতিতে যেখানে কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রভাব সবসময় তীব্র, সেখানে রাজিবের সরাসরি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা একটি ভিন্নমাত্রা যোগ করছে। তৃণমূলের মানুষের হৃদয়ে তিনি ধীরে ধীরে জায়গা তৈরি করছেন।
‎

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর