1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

মান্দায় দেড় বছর ধরে নেই চালক, নষ্ট হচ্ছে সরকারী অ্যাম্বুলেন্স, ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা

টাইমস প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ১৪৫ বার পঠিত

প্রতিপক্ষের মারধরে গুরুতর আহত হয়ে ৬৮ বছর বয়সী আব্দুল হামিদ নামের এক ব্যক্তিকে নওগাঁর মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এসময় অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রেফার করা হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় বিপাকে পড়েন রোগীর স্বজনেরা। পরে ৩ হাজার টাকা ভাড়ায় প্রাইভেট একটি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয় তাকে।

আহতের নিকটাত্মীয় আবু বাক্কার বাবু জানান, ‘রোগীর অবস্থা ছিল মুমূর্ষু। হাসপাতালে কোনো অ্যাম্বুলেন্স ছিল না। পরে বাইরে থেকে ৩ হাজার টাকা ভাড়ায় একটি প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে হয়। বকশিশও দিতে হয়েছে ১০০ টাকা। এর পর আহত হামিদকে রাজশাহী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’ স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আগে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে ১৪০০ টাকা ভাড়ায় রাজশাহীতে রোগী পরিবহন করা যেত। কিন্তু এখন সেই ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ হয়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। অনেক সময় রোগীর অসহায়ত্বকে পুঁজি করে অতিরিক্ত ভাড়াও দাবি করা হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২৩ নভেম্বর মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স চালক আবুল বাশার অবসরে যান। এর পর থেকে আর কোনো চালক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে দেড় বছরের অধিক সময় হাসপাতালের গ্যারেজেই আটকে আছে অ্যাম্বুলেন্সটি। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় গাড়িটি বর্তমানে প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে। অথচ গ্রামীণ জনপদে অসুস্থ লোকদের একমাত্র সহজলভ্য পরিবহণ হচ্ছে এই সরকারী  অ্যাম্বুলেন্স। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ভুক্তভোগী। আলম হোসেন নামের এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘গরিব মানুষ হাসপাতালে আসে একটু সেবা পাওয়ার আশায়। এখন যদি অ্যাম্বুলেন্সই না থাকে, তাহলে কিভাবে রাজশাহীর মতো দূরের হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাব?’

‎এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আগের চালক অবসরে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো চালক নিয়োগ হয়নি। এ নিয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই চালক নিয়োগ দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি সচল করা সম্ভব হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর