টাইমস নিউজে নিউজ প্রকাশের পর কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অভিযোগ বক্স ওপেন করা হয়েছে। এতে সাধারণ জনগন ও সেবা প্রত্যাশীদের কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। গত ১০ মার্চ সোমবার “কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অভিযোগ বক্স না থাকায় সেবা প্রত্যাশীদের চরম ভোগান্তি” শিরোনামে একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে জনমনে আলোচনা শুরু হলে কুমিল্লা সিভিল সার্জন ২৪ বিসিএস ব্যাচের ডাঃ আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদের নির্দেশে এ অভিযোগ বক্স ওপেন করা হয়।
এদিকে ১৬ মার্চ রবিবার কুমিল্লা নগরীর নজরুল এভিনিউ রোডে অবস্থিত ট্রমা সেন্টার হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় ২১ বছর বয়সী ইমরান হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। এ সময় উত্তেজিত জনতা হাসপাতালে ভাঙচুর চালালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখন পযন্ত সেই তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। যা রহস্যজনক বলে মনে করেন নগরীর সচেতন মহল। অন্যদিকে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ির আইসি রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় ও সরাসরি উপস্থিতিতে মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠুর নেতৃত্বে বিষয়টি প্রকাশ্যে ৪ লক্ষ টাকায় রফাদফা করা হয়। এ নিয়ে জনমতে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সর্বশেষ ২১ মার্চ শুক্রবার রাতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর সংগ্রহ করতে গেলে দুর্বৃত্তদের হামলায় যমুনা টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি খোকন চৌধুরী ও ক্যামেরা পার্সন সাকিব, চ্যানেল ২৪ টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি জাহিদ হাসান ও ক্যামেরা পার্সন আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সেনাবাহিনী ফাঁকা গুলি ছোড়েন। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সাংবাদিক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নেক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে ও দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পরের দিন কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সামনে অন্তত শতাধীক সাংবাদিক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। এতে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের অপসরণের দাবিও জানানো হয়।