1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

জয়পুরহাটে আলুর ফলন বাম্পার হলেও নায্য দাম না পেয়ে হতাশ কৃষকরা

স্টাফ রিপোর্টার (জয়পুরহাট)
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২২৩ বার পঠিত

বাম্পার ফলন হলেও জয়পুরহাটে আলুর বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরকারের নির্ধারিত ২২ টাকা কেজি দরে হিমাগারের গেট থেকে আলু বিক্রির নিয়ম কার্যত স্থবির করে দিয়েছে লেনদেন। ফলে উৎপাদন ব্যয় ঘাড়ে চাপিয়ে কৃষকেরা পড়েছেন চরম বিপাকে। বর্তমানে খোলা বাজারে আলুর দর ১২ থেকে ১৫ টাকা। হিমাগারে ২২ টাকা দরে আলু কিনতে তারা সম্পূর্ণ অনাগ্রহী। এতে কৃষকেরা বাধ্য হয়ে আলু বিক্রি থেকে বিরত রয়েছেন। সাম্প্রতিক ক্ষেতলাল উপজেলার পাঠানপাড়া বাজারে মুন্নী চৌধুরী হিমাগারে দেখা যায় এমন চিত্র।

নির্ধারিত দাম না পেয়ে ক্ষুব্ধ কৃষক ইসমাইল হোসেন বলেন, আমরা তো ভেবেছিলাম আলুর ভালো দাম পাবো। কিন্তু বাজারে ১২-১৩ টাকার বেশি কেউ দিচ্ছে না। সরকারের নিয়মে ২২ টাকায় বিক্রি করতে না পারলে আমাদের অবস্থা খারাপ হবে। ঋণগ্রস্ত কৃষক ফরিদ উদ্দিন জানান, চাষের খরচই উঠছে না। সরকার যদি সরাসরি আলু না কেনে তাহলে আমরা পথে বসবো।

অন্যদিকে আলু ব্যবসায়ী সামিনুর ইসলাম বলেন, যখন বাজারে ১২ টাকায় আলু পাওয়া যাচ্ছে, তখন ২২ টাকায় হিমাগার থেকে কেনার কোনো মানেই হয় না। এতে আমাদেরও লোকসান হবে। হিমাগার মালিকরা বলছেন, সরকারের সিদ্ধান্তের কারণে হিমাগারগুলোতে আলু পড়ে থাকছে। এম ইশরাত হিমাগারের ব্যবস্থাপক রায়হান আলম জানান, কৃষক তুলছে না, ব্যবসায়ীরাও কিনছে না। সরকারের এই নীতিতে আমাদেরও বিপর্যয় নেমে এসেছে।

পরিসংখ্যান বলছে, সেপ্টেম্বরে সাধারণত ৫০ ভাগ আলু হিমাগার থেকে বের হয়। এবার বের হয়েছে মাত্র ১০ ভাগ। ফলে বাজারে সরবরাহ ব্যাহত হলেও দামের কোনো ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে না।

‎এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বাজারের বাস্তবতা বিবেচনা না করে কেবল গেটে দাম বেঁধে দেওয়া কৃষকদের জন্য  মরার ওপর খাঁড়ার ঘা। তাদের পরামর্শ, সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে আলু কেনার ব্যবস্থা না নিলে প্রান্তিক কৃষক আরও বড় সংকটে পড়বেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর