জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার এক সাহসী যুবক মোফাজ্জল হোসেন জি থ্রি মাছের পোনা উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। তার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে এহেড সোস্যাল অর্গানাইজেশন (এসো) কর্তৃক বাস্তবায়িত এবং পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা। উদ্যোক্তা মোফাজ্জল হোসেনকে মাছের ডিম সংগ্রহ থেকে শুরু করে পোনা উৎপাদন পর্যন্ত যাবতীয় উপকরণ ও প্রশিক্ষণ সরবরাহ করেছে “এসো”। ফলে তিনি নিজ এলাকায় একটি মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। পুকুর প্রস্তুত, ইনকিউবেটর স্থাপন, হ্যাচিং, প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহসহ সব ধরনের সহযোগিতা পেয়েছেন তিনি। মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আগে শুধু বাজারে বিক্রির জন্য মাছ চাষ করতাম। এখন নিজের উৎপাদিত পোনা নিজেই ব্যবহার করছি এবং অন্য চাষিদের কাছেও সরবরাহ করছি। এতে লাভ বেড়েছে, কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে। এসো’র মৎস কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, আমরা চাই গ্রামের যুবকরা নিজেদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলুক। মোফাজ্জল তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ। জি ৩ মাছের অনেক বৈশিষ্ট রয়েছে। এই মাছ দ্রুত বেড়ে উঠে বিধায় চাষিরা লাভবান হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, এই ধরনের উদ্যোক্তা তৈরি হলে স্থানীয়ভাবে পোনার চাহিদা পূরণ হবে এবং অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। উল্লেখ্য যে, এসো ও পিকেএসএফ-এর যৌথ উদ্যোগে এভাবে আরও অনেক উদ্যোক্তা গ্রামীণ জীবিকা উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছেন।