কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ গত ১০ মার্চ রাতে ফেসবুক লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন। ওই লাইভে দেবিদ্বারে বরাদ্দকৃত ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
জানা যায়, রমজান উপলক্ষে সৌদির বাদশাহ ‘কিং সালমান হিউমেনিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে পাঠানো উপহারের খেজুর হিসেবে দেশে আসা ১২৫০০ কাটুন থেকে কুমিল্লার জন্য ৫০০ কার্টন বরাদ্দ দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান জানান, ঢাকা থেকে কুমিল্লায় ৫০০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়। পরে সেগুলো জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে সব উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১ মার্চ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে কুমিল্লার জন্য ৫২০ কার্টন খেজুর বরাদ্দের কথা জানানো হয়। পরবর্তীতে এটি সংশোধন করে ৩ মার্চ ৫০০ কার্টন বরাদ্দ জানিয়ে পুনরায় ওই ওয়েবসাইটে নোটিশটি আপলোড করা হয়। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে ২০ কার্টন খেজুর উধাও উল্লেখ করে সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশ হয়।
এ নিয়ে কুমিল্লা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. জাবেদ আলী বলেন, আমাদের ৫০০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়েছে। প্রাপ্ত খেজুর আমরা আনুপাতিক হারে কুমিল্লার ১৭ উপজেলায় বণ্টন করেছি।