1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

অসময়ের বৃষ্টিতে জয়পুরহাটে কৃষি বিপর্যয়: রোপা আমন ধানের ক্ষতি, দিশেহারা কৃষক ‎

স্টাফ রিপোর্টার (জয়পুরহাট)
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭১ বার পঠিত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় অসময়ের টানা বৃষ্টিতে রোপা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাঠে পানি জমে অনেক জায়গায় ধান গাছ লুটিয়ে পড়েছে, শীষে ধরবে চিটা, কোথাও বা গাছ পচে নষ্ট হওয়ার আশংকা । ফলে হতাশায় পড়েছেন উপজেলার কৃষকেরা।
‎
‎উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা যে ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, সেটিই এখন বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে। নিচু জমির অধিকাংশ রোপা আমন খেতে পানি জমে ধান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেক মাঠে ধান গাছ একেবারে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, যা কাটা ও শুকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
‎
‎উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ক্ষেতলাল উপজেলায় রোপা আমন চাষ হয়েছে প্রায় ১২হাজার হেক্টর জমিতে।  মাঠেই বিনা-১৭, ব্রী ধান-৭৫, ব্রী ধান-৯০, স্বর্ণা-৫ ও নতুন জাত ব্রী ধান-১০৩ রোপণ করা হয়েছে। নতুন জাতের ধানে তুলনামূলক ভালো ফলনের আশা করা হলেও হঠাৎ বৃষ্টিতে সেই আশায় দেখা দিয়েছে ধাক্কা।
‎
‎উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুর রহমান বলেন, অসময়ের বৃষ্টিতে ক্ষেতলালের অনেক রোপা আমন ধানের অনেক ক্ষেতে এখন পানিতে তলিয়ে আছে। নিচু এলাকার ধানগাছ শিকড়সহ পচে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ধানে বাদামী ঘাসফড়িং এর কীটনাশক স্প্রে করতে।
‎
‎স্থানীয় কৃষক আহসান হাবীব বলেন,গত সপ্তাহের বৃষ্টিতে আমার তিন বিঘা জমির ধান একেবারে লুটিয়ে পড়েছে। এখন কাটা সম্ভব হচ্ছে না, ধান কালো হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি আর এমন চললে পুরো ফসল শেষ হয়ে যাবে।
‎
‎এদিকে কৃষকেরা জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে সার, বীজ ও শ্রমের উচ্চমূল্যের কারণে আগেই ব্যয় বেড়েছে। এখন বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হলে লোকসান সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
‎
‎ক্ষেতলালের কৃষকেরা এখন এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মুখে—একদিকে রোপা আমনের ক্ষতি, অন্যদিকে জমিতে জমে থাকা পানি শুকাতে সময় লাগছে। আবহাওয়া অনুকূলে না এলে উপজেলার সামগ্রিক ধান উৎপাদনে বড় ধরণের ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর