1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

টাইমস প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৬ বার পঠিত

স্বচ্ছতার কথা বলে লটারির মাধ্যমে পদায়নের উদ্যোগ নিলেও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষে (জাগৃক) অর্থ লেনদেন ও পছন্দের কর্মকর্তাদের বসানোর অভিযোগ উঠেছে। সংস্থার অনেকের দাবি, ঢাকার আকর্ষণীয় পদে পোস্টিংয়ের জন্য প্রতি পদে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। তাদের অভিযোগ বিগত সরকারের সময়কার ঢাকার ডিসি মোঃ জিল্লার রহমানের পিএস ও কালেক্টর এবং আওয়ামী লীগের আমলে বিদেশি মিশনে কর্মরত থাকায় সম্প্রতি সরকারের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি না পাওয়া কর্মকর্তা পরিচালক, ফকির মোঃ মুনওয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে লটারির নামে কোটি কোটি টাকা বদলি বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

সংস্থার কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবী সদ্য পদোন্নতি বঞ্চিত এই কর্মকর্তা নিজের আখের গোছাতে লটারির নামে একটি ‘বদলি-বাণিজ্য’ চক্র গড়ে তোলাসহ ভূমি ও সম্পত্তি শাখার ফাইল থেকে মোটা অঙ্কের কমিশন বাণিজ্যে লিপ্ত হয়েছেন। এ নিয়ে সংস্থায় তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জাগৃকে উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর অনুমোদিত পদ ১৭টি। নিয়ম অনুযায়ী ১৭টি পদের জন্য ১৭ জন কর্মকর্তার একযোগে লটারি হওয়ার কথা। কিন্তু কিছু লাভজনক ও গুরুত্বপূর্ণ পদ লটারির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। কোন মানদণ্ডে এসব পদ আলাদা করা হলো, কর্তৃপক্ষ তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

লটারির আগে ভাইভা নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদি লটারির মাধ্যমেই পদ নির্ধারণ করা হবে, তবে তার আগে কেন নিয়মবহির্ভূতভাবে ‘ভাইভা’ বা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হলো? আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, লটারির আগের সেই তথাকথিত ভাইভায় কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তারা কে কোন স্টেশনে বা স্থানে যেতে চান, সেই অপশন বা চয়েস লিখে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে লটারির নামে আসলে লোক দেখানো নাটক সাজানো হচ্ছে, যার আড়ালে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ঢাকার পদগুলোতে বসানোর নীলনকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আরও জানা গেছে, যেসব পদে লটারির প্রস্তুতি চলছে, সেগুলোর অনেক কর্মকর্তার ওই পদে এখনো তিন বছর পূর্ণ হয়নি। এ বিষয়ে আগে একটি অফিস আদেশ জারি হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি, আবার বাতিলও করা হয়নি। কেন তা ঝুলে আছে, সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই। অধিকাংশই এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে ১৭টি পদেই নিরপেক্ষ ও উন্মুক্ত লটারির দাবি জানিয়েছেন।

এ সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ভাইভা ও পদায়ন কমিটির সভাপতি এবং সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) হাছিনা বেগম বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি জানান, কমিটির সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও প্রক্রিয়ার অনেক বিষয় তার জানা নেই। তিনি বলেন, “বিষয়টি চেয়ারম্যান ভালো বলতে পারবেন, তিনি সব জানেন।”

প্রকৌশলীরা বদলি প্রক্রিয়ার অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ বন্ধে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

এ বিষয়ে ফকির মুহাম্মদ মুনওয়ার হোসেন জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান মহোদয় প্রতিটি বিষয়ে আমার পরামর্শ নেন, কথাটি সত্য । ভাইভা নেয়ার আগে দুই একজন কর্মকর্তা আমার সাথে যোগাযোগ করেছে। টাকা নেয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ তদন্ত করতে পারেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর