1. admin@timesnews24.live : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ: পাঠানপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে শোকজ

স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৯ বার পঠিত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার পাঠানপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ এবং চরম দায়িত্বহীনতার অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দিয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে আনীত অভিযোগসমূহের লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​জানা গেছে, গত ২৫ আগস্ট পরিচালনা কমিটির বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৭ আগস্ট সভাপতি আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই নোটিশ জারি করা হয়।

​নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০১২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয় নিরীক্ষায় গঠিত তিন সদস্যের কমিটির প্রতিবেদনে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। বিদ্যালয়ের ৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৫টিরই কোনো নথিপত্র তিনি কমিটির কাছে দাখিল করেননি। এছাড়া পরিচালনা কমিটি বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অনুমোদন ছাড়াই বিল-ভাউচার তৈরি করা হয়েছে, যা অর্থ আত্মসাতের শামিল।

​অভিযোগে আরও বলা হয়, সাবেক প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুল কুদ্দুসের বিএড সনদ জাল প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে অবৈধভাবে দুইবার নিয়োগে সহায়তা করেন তিনি। পরবর্তীতে তদন্ত ও আদালতে সাক্ষ্যদান থেকেও বিরত থাকেন। এছাড়াও শিক্ষকদের টাইম স্কেলের নথিতে জালিয়াতি, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রাখা, জাতীয় সঙ্গীতে অনুপস্থিত থাকা, বিদ্যালয়ের রুমে খাট-বালিশ রেখে ঘুমানোর ঘর বানানো, বিদ্যালয় চলাকালে বাজারে আড্ডা দেওয়া এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে ছুটি মঞ্জুরসহ মোট ১৪টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

​বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আরিফুল ইসলাম বলেন, “প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও আর্থিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে বিধি অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

​ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অসংগতি বা প্রশাসনিক ব্যত্যয় ঘটলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পরিচালনা কমিটির প্রতিবেদন ও লিখিত জবাব পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার বাবলু কুমার মন্ডল বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত। পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ও জবাব পাওয়ার পর তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে মাউশির বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।”

​তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: আতাউর রহমান বলেন, “অভিযোগগুলো সত্য নয়। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয় করতে এসব করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমি লিখিত জবাব দাখিল করব।”

​বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, জবাব সন্তোষজনক না হলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী চাকরি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর