কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা ১৬০ কেজি গাঁজা মাদক কারবারিদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
দৈনিক যুগান্তর-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি গাইটে থাকা ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, কাভার্ডভ্যানটি প্রায় চার ঘণ্টা আটকে রেখে রাত ১২টার দিকে প্রতি কেজি ৬ হাজার টাকা দরে তিন মাদক কারবারির কাছে ধাপে ধাপে গাঁজাগুলো বিক্রি করে দেওয়া হয়। পরে একটি কালো টিআরএক্স মাইক্রোবাসে করে গাঁজাগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে কাভার্ডভ্যানের চালকের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গাড়িটি ছেড়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন দাউদকান্দি থানার এসআই মো. ইমাম উদ্দিন ও এএসআই হাফিজুর রহমান।
অভিযোগের বিষয়ে এসআই ইমাম উদ্দিন দাবি করেন, তিনি গাঁজা উদ্ধার বা বিক্রির ঘটনায় সম্পৃক্ত নন। এএসআই হাফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে ইমাম উদ্দিন জানেন, তিনি এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না।
এদিকে এ ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ বারীর একটি বিতর্কিত বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৩০ জুন) তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ লাইনে ক্লোজ (প্রত্যাহার) করা হয়।
দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার খলিলুর রহমান জানান, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।