1. admin@timesnews24.live : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫ এসি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৯৫ হাজার টাকা ৩২ বছর মানুষের হাতে খবর তুলে দিয়েছেন, আজ নিজেই খবরের শিরোনাম নিতাই সাহা গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় চৌদ্দগ্রামে জমি দখল, বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন বুড়িচংয়ে বৃদ্ধাকে নৃশংস হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিচারের দাবি কুমিল্লায় বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিভিল সার্জনের মতবিনিময় নওগাঁয় বৃদ্ধা হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিল জেলা পুলিশ, ছোট ভাই-ভাবিসহ গ্রেপ্তার ৫ সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন চৌদ্দগ্রামে খেঁয়াইশ দারিদ্র্য বিমোচন সংগঠনের উদ্যোগে ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত লটারির আড়ালে ‘বদলি-বাণিজ্যের’ অভিযোগ: জাগৃকের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীদের পদায়নে ক্ষোভ

গোয়ালমারী ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি নিয়ে ক্ষোভ, বহিষ্কৃত নেতাকে সভাপতি করায় প্রশ্ন

আনিসুর রহমান খান (দাউদকান্দি)
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ৮৮ বার পঠিত

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গোয়ালমারী ইউনিয়ন বিএনপির নবঘোষিত কমিটি নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতাকর্মী জানান, ইউনিয়ন বিএনপির দীর্ঘদিনের সভাপতি রায়হান উদ্দিন রেনু মুন্সীকে কোনো ধরনের সাংগঠনিক আলোচনা বা মূল্যায়ন ছাড়াই নতুন কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে দলের তৃণমূল পর্যায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

নেতাকর্মীদের অভিযোগ, নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান অতীতে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। সেই ব্যক্তিকেই পুনরায় সভাপতি পদে দায়িত্ব দেওয়ায় অনেকের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে, একজন নেতাকে একসময় বহিষ্কার করার পর পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে অধিষ্ঠিত করার সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ স্পষ্ট করা উচিত। এতে দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম. এ. লতিফ ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট নেতাদের ভূমিকা নিয়েও নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তাদের দাবি, মাঠপর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ও ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না হলে দলীয় ঐক্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, গ্রহণযোগ্যতা ও তৃণমূলের মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করা না গেলে সংগঠনের অভ্যন্তরে বিভাজন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

গোয়ালমারী ইউনিয়নের কয়েকজন নেতাকর্মী কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, যোগ্য, ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বকে সামনে এনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত বা সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর